এই মন্ত্র পাঠে সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যাবেন



রুদ্র যামল তন্ত্র হলো হিন্দু শাস্ত্রের তন্ত্র সম্পর্কিত একটি প্রাচীন পুস্তক। এই শাস্ত্রটি শিবের উগ্ৰ অবতারকে উৎসর্গ করা হয়েছে। যাকে ভৈরব অবতার বা রুদ্র অবতার বলে। এই তন্ত্রে প্রদত্ত মন্ত্র সাধনা গুলি অঘোরি অর্থাৎ উগ্ৰ বলে ধরা হয়।

অঘোরের অনুশীলনকারী হলেন তিনি যিনি ভালো বা মন্দ, মৃত বা জীবিত, পাপ ও কর্ম সম্পর্কে কোন পার্থক্য করেন না। এর অর্থ যার ইন্দ্রিয় সম্পূর্ন রুপে ধ্বংসকারী শিব বা রুদ্রের ভৈরব প্রকাশের সাথে যুক্ত।



বলা হয় যে কলি যুগে অঘোর সাধনা ফলপ্রসূ বা সহজে অর্জন করা যায় কারন প্রকৃতিতে ধ্বংসাত্মক শক্তিগুলো প্রভাবশালী।

এটি একটি গোপন মন্ত্র যা সাধক কে অদৃশ্য করে দেয়। চতুর্দশী বা কৃষ্ণ পক্ষের চতুর্থ দিনে, হিন্দু চন্দ্র মাসের কার্তিক দ্বিতীয় বা অন্ধকার পাক্ষিকে এই সাধনা করার নিয়ম। 

এই মন্ত্রটি পাঠ করতে হবে একটি শ্মশান বা কবর স্থানে। যেখান মৃতরা থাকে। এই মন্ত্রটি সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে 400000 বার পাঠ করতে হবে।

কথিত আছে যে এর পূর্তিতে একজন যক্ষিনী আবির্ভূতা হবেন এবং সাধককে একটি বস্ত্র বা কাপড় প্রদান করবেন। ঐ কাপড় পরিধান করলে সাধক সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যাবেন এবং সব কিছু দেখতে পারবেন।

মন্ত্র:

ওম হ্রীম হ্রীম শ্মশানবাসিনী স্বাহা।

যক্ষিনী হলো এক প্রকার মেয়েলি শক্তি বা বিশেষ বিশেষ শক্তির রক্ষক। এদের তুষ্ট করতে পারলে সাধনার সিদ্ধিতে বিশেষ শক্তি লাভ ‌হয়।


এরকম আরো পোস্ট পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো করুন।



Discover more from Adhyatmik

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply