অনেকেই একটি প্রশ্ন করেন। সেটা হলো এই যে, ঈশ্বর কি সবার প্রার্থনা মন দিয়ে শোনেন। পৃথিবীতে কোটি কোটি জীব, উদ্ভিদ রয়েছে। এতো জনের প্রার্থনা আবেদন নিবেদন যদি ঈশ্বর কে শুনতে হয়। তাহলে ঈশ্বরের নাওয়া খাওয়ার সময় থাকবে না। এর জন্য ঈশ্বর কর্মের একটি প্রোগ্রাম ডিজাইন করেছেন। এই প্রোগ্রাম সকলের কর্ম ঋণের হিসাব প্রতিনিয়ত রেকর্ড বা নিবন্ধিত করে চলেছে।
আর তার নিরীখে গ্ৰহ নক্ষত্র ফল প্রদান করে থাকে। বিভিন্ন দেব দেবীকে, আমাদের সৌরজগতের ও পার্শ্ববর্তী নক্ষত্রের অবস্থান ও পরিচালনা করার দায়িত্ব অর্পণ করেছেন স্বয়ং দেবাদিদেব মহাদেব। সুতরাং বলা যেতে পারে যে স্বয়ং মহাদেব মানুষের ভাগ্যের নিয়ন্ত্রক। এবং তা নির্ধারণ করার জন্য জ্যোতিষ শাস্ত্র মহাদেবের দান।
জ্যোতিষ শাস্ত্রের মূল ধারণা হলো, মহাকাশের গ্রহ-নক্ষত্র মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলে। এই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে একজন জ্যোতিষী ব্যক্তির জন্মসময়, তারিখ ও স্থান ব্যবহার করে তার ভাগ্য এবং ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দিতে পারেন।
বিভিন্ন ধরণের জ্যোতিষশাস্ত্র রয়েছে
বৈদিক জ্যোতিষ:
এটি ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন জ্যোতিষশাস্ত্র। এখানে রাশিফল, কোষ্ঠী বিচার, এবং বিভিন্ন গ্রহের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
পশ্চিমী জ্যোতিষ:
এটি পশ্চিমা দেশগুলোতে প্রচলিত জ্যোতিষশাস্ত্র। এটি রাশিচক্রের উপর ভিত্তি করে মানুষের ব্যক্তিত্ব এবং ভবিষ্যৎ গণনা করে।
সামুদ্রিক জ্যোতিষ:
এটি শরীরের বিভিন্ন চিহ্ন দেখে ভাগ্য গণনা করে।
সংখ্যাজ্যোতিষ (Numerology):
এটি সংখ্যাতত্ত্বের উপর ভিত্তি করে মানুষের ভাগ্য গণনা করে।
