তন্ত্র শাস্ত্র

তন্ত্র একটি রহস্যময় শব্দ, যেকোনো মানুষের মনে তন্ত্র নিয়ে কৌতুহল কম নয়। কারণ তন্ত্র হলো একপ্রকার অলৌকিক ক্রিয়া।

তনু ত্র অর্থাৎ দেহ পথে যে সাধন তাকেই তন্ত্র বলা হচ্ছে। তন্ত্রের গোড়ার কথা হলো সৃষ্টি। পুরুষ থেকে সৃষ্ট নারী, অনেকটা সৌরজগতের মতো। সূর্যের চারদিকে যেমন গ্ৰহ উপগ্ৰহ ঘুরছে। কেউ তার কক্ষপথে কখনো কাছে আসছে তো আবার কেউ দূরে সরে যাচ্ছে। এই টানাপোড়েন এর সম্পর্ক হলো তন্ত্র সাধনা।

দেবাদিদেব মহাদেব এই তন্ত্র শাস্ত্রের জনক। মহাদেব এর চারপাশের কক্ষপথে বহু নারীর সমাগম। দশ মহাবিদ্যা, দশ নাগ কন্যা, বিভিন্ন দূর্গা, ভিন্ন ভিন্ন কালী, 64 যোগিনী, বিভিন্ন সাধিকা আরো অগণিত নারী। এদের সাথে মহাদেবের সম্পর্ক‌ই এককথায় তন্ত্র শাস্ত্রের ভিত্তি।

সূর্য থেকে যেমন গ্ৰহ উপগ্ৰহের সৃষ্টি। একদিন এই গ্ৰ‌হ উপগ্ৰহকে সূর্য গ্ৰাস করবে। ঠিক তেমনি একজন মানব অবতার, তার থেকে সৃষ্ট অগণিত নারী বিভিন্ন সময়ে তার স্ত্রী, কন্যা, মাতা, ভগ্নি। সাধনার পথে তার মধ্যে বিলীন হবে। এই নারীদের মধ্যে যে পাটরানি সে হলো তার কুণ্ডলিনী শক্তি।

এখানে আমরা তন্ত্র শাস্ত্র আর তন্ত্র সাধনার কথা জানবো।