তন্ত্র শিক্ষা

“তনু” অর্থ দেহ আর “ত্র” হলো পথ। অর্থাৎ দেহের পথে যে সাধন, তাকেই বলে তন্ত্র। সাধনা কি? সাধনা বলতে বোঝায় “আত্মানং বিদ্ধি”। অর্থাৎ নিজেকে চেনো বা জানো। তন্ত্রের দুটি ভিন্ন পথ। একটি তান্ত্রিক পৌরহিত্য, মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন পুজো পদ্ধতি এবং ক্রিয়া যা বিশেষত ষটকর্ম নামে পরিচিত। আর, দ্বিতীয়টি তন্ত্র সাধনার পথ, এতে রয়েছে ধ্যান, জ্ঞান আর সাধন। তন্ত্র সাধনা ছাড়া ষটকর্মের প্রয়োগ কোন কাজে আসে না। কারণ তন্ত্র সাধক নিজ শক্তি ও দৈবিক শক্তিতে তান্ত্রিক ক্রিয়া পরিচালনা করেন।



সুতরাং তন্ত্র সাধনা, বলতে নিজেকে জানার যে পথ যা নিজের শরীরে বিদ্যমান। কি সেই পথ যা নিজের শরীরে রয়েছে?

আত্মা অনেকটা সূর্যের মতো। তাকে ঘিরে থাকে অজস্র গ্রহ ও উপগ্রহ। স্থূল ব্রহ্মান্ডের কোটি কোটি সূর্য আসলে সূক্ষ্ম ব্রহ্মান্ডের কোটি কোটি আত্মা।

এই আত্মা সৃষ্টির পর বিকিরণে সৃষ্টি করে আত্মা বান্ধব। যা পুরুষের নারী হয়ে জন্ম গ্রহণ করে। আর সে বা তারা হয় স্ত্রী, সঙ্গীনী জন্ম জন্মান্তরে। শুরু হয় ভোগ সাধনা।

আত্মা বান্ধবীরা যেমন হয় ধনাত্মক, তেমনই হয় ঋনাত্মক। একজন দেয় সিদ্ধি আর দ্বিতীয় জন দেয় কাটা। ভোগ সাধনার অন্তে পুরুষ যখন পূর্ব জন্মের পূন্যের কারনে যৌন সঙ্গমের পথ থেকে সরে দাঁড়ায়। তখন ধনাত্মক বান্ধবীর আলাদা শরীরের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়। সেই স্ত্রী শক্তি হয়ে মূলধারে ফিরে আসে এবং কুন্ডোল পাকিয়ে পড়ে থাকে। এই হলো কুন্ডলিনী শক্তি যার অবস্থান থাকে পুরুষের বাম দিকে। যখন সহস্রার চক্র থেকে পুরুষ স্ত্রীর জন্য আকুল হয়ে ওঠে। তখন মিলনের জন্য স্ত্রী উঠে আসে উপরে। একে বলে মৈথুন। আর আত্মা পূর্নতা লাভ করে।

সেই সময় ঋনাত্মক স্ত্রীরা বাধা সৃষ্টি করতে যৌন আবেদন সৃষ্টি করে। ধনাত্মক আর ঋনাত্মকের এই দন্দই হলো সাধনা। সাথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় সেই সমস্ত আত্মা বান্ধব যারা ভোগ সাধনার পথ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে নাই।


তন্ত্র সাধনার শুরু অবশ্যই হয় একাকীত্বে। তারপর যুক্ত হয় ভৈরব ভৈরবী। আর শেষে এক দেহে দুই আত্মা, যাকে বলে ষড়ঙ্গী সাধন। হয় কুন্ডোলিনী পরবর্তী পর্যায়ে।


শুধুমাত্র তন্ত্র মন্ত্র জানলেই তান্ত্রিক হ‌ওয়া যায় না। কেবলমাত্র একজন তন্ত্র সাধক‌ই তান্ত্রিক হতে পারেন। সাধনায় সিদ্ধি না থাকলে তন্ত্র প্রয়োগ করা যায় না। সর্বোপরী তন্ত্রের দেবতা ও দেবীদের সাথে যোগসূত্র না থাকলে তন্ত্র কাজ করে না। এর জন্য সিদ্ধি থাকতে হবে। তবেই দেব দেবীরা আপনার কথা শুনবে এবং আপনার কাজের সাফল্য অর্জন হবে। আপনাকে প্রেতসিদ্ধ হতে হবে। নয়তো প্রেত আপনার কথা শুনবে না এবং আপনি প্রেত প্রয়োগ করতে পারবেন না। এর জন্য প্রথমে তন্ত্র সাধনা করতে হয়। তন্ত্র সাধনা মাস ভিত্তিক কোন কোর্স হতে পারে না। বদলে সম্পূর্ন জীবন লেগে যায় শিখতে। কখনো জন্ম জন্মান্তর ধরে এই প্রক্রিয়া চলে। আমাদের তন্ত্র শিক্ষার কোর্স সাড়ে তিন বছরের বা 42 মাসের। কোর্সে থাকছে বেসিক ধ্যানের কোর্স (ইনার রিপ্রোগ্ৰামিং মেডিটেশন) 8 মাসের, কুণ্ডলিনী সাধনার কোর্স 16 মাসের, পঞ্চ ম কার সাধনার কোর্স 12 মাসের, 6 মাসের তন্ত্র মন্ত্রের কোর্স। তন্ত্র মন্ত্রের কোর্সে আপনি শিখবেন ষটকর্ম সম্পর্কে। শিখবেন বিভিন্ন ক্রিয়া, তন্ত্র সাধনা, জানবেন বিভিন্ন তান্ত্রিক পদ্ধতি ও মন্ত্র প্রয়োগ।


তন্ত্র সাধনা শিখতে হয় গুরুর কাছ থেকে। তন্ত্রে যেমন পড়তে হয় তেমনি জীবন থেকে গুরুর পথে উপলব্ধি করতে হয়।


কোর্স মূল্য বা ফিজ (fees) মাসিক (4টি করে ক্লাস) ₹4400 (প্রতি ক্লাসের খরচ ₹1100) / US$30 donate বা উপহার মূল্য। প্রতি ক্লাসের মূল্য অগ্রীম দিয়ে এই কোর্স করা যাবে। শুরুতে 1 মাসের মূল্য ( ₹4400 / US$60) অগ্ৰীম প্রদান করতে হবে। নিচের নির্দেশিকা থেকে পেমেন্ট করুন।


To pre pay Transfer your payment to UPI Ids.

PhonePe: 9674651456@ybl
Gpay: jaydip1370@okicici

To pay for your purchase use UPI linked numbers:

PhonePe: 9674651456
Gpay: 8017551456

On payment WhatsApp: +919674651456 screenshot and write us about your purchase.



কি শেখা হবে?


তন্ত্র শিখতে প্রথমে শিখতে হবে ধ্যান। কারন যে কোন সাধনার শুরু হয় ধ্যানে। এখানে ইনার রিপ্রোগ্রামিং মেডিটেশন বা ধ্যান শেখানো হবে। আট মাসের কোর্স। তার পর তৈরী করা হবে সাধনার রাস্তা। যেমন কুন্ডোলিনী ও পঞ্চ মকার। সাথে থাকবে তন্ত্র মন্ত্রের বিভিন্ন পুস্তক । পুস্তকের খরচ আলাদা পড়বে।


এই প্রোগ্রাম অনলাইনে টেলিগ্রামে, হোয়াটস আ্যাপে করা যাবে। এই কোর্স ভিডিও কলিং, গ্রুপ চ্যাট এবং অনলাইন রিডিং এর মাধ্যমে করা যাবে। এছাড়া বিভিন্ন অন সাইটে ক্লাস করা হবে (পৃথক মূল্য দিয়ে)


কেন শিখবেন তন্ত্র শিক্ষার কোর্স?


তন্ত্র শিক্ষার অনলাইন কোর্স করে আপনি একজন প্রফেশনাল তান্ত্রিক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন, এবং বিপদগ্ৰস্থ মানুষকে সহায়তা করে উপার্জন করতে পারেন।


গুরু বা শিক্ষক


পরম ব্রহ্ম অবতার জয়, যিনি ঈশ্বরের অবতার শুধু নন। একজন সিদ্ধ তন্ত্র সাধক। যিনি মৃত্যুঞ্জয়ী চিরঞ্জীবী, ত্রিকালদর্শী, বাকসিদ্ধ, ভাবনা সিদ্ধ, চিন্তা সিদ্ধ, আত্মা সিদ্ধ। তন্ত্র, কুন্ডোলিনী, ভৈরবী সাধন, ষড়ঙ্গী সাধনা সিদ্ধ। অলৌকিক শক্তির অধিকারী ও মহাকাল নিয়ন্ত্রক।