
জন্মের পুর্ব কথা। কোন কিছুই এমনি এমনি ঘটে না। যুগ অবতার রামকৃষ্ণ পরমহংসের দক্ষিণেশ্বরে ঘরের মধ্যে বিছানার কাছে এক মহাপুরুষের একটা ছবি আছে। ঐ ছবিটা নাগ মশাই এর যিনি রামকৃষ্ণের গৃহী শিষ্যদের মধ্যে অন্যতম। যাকে স্বামী বিবেকানন্দ বলতেন চলমান শিব। তিনি আমার একজন পুর্ব পুরুষ।
আমার বাবার কাছ থেকে শোনা গল্প। বাবা একটি বিদেশী সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। কলকাতার ডালহৌসী এলাকায় এক গরমের বিকালে ক্লান্ত হয়ে ঘুরছিলেন।

হঠাৎ তার সামনে এক জটাধারী সন্ন্যাসী এসে হাজির। বাবা খুব অবাক হয়ে গিয়েছিল। কারন লোকটি যেন হওয়ার মধ্য থেকে বের হয়ে এসেছিল।
সন্ন্যাসী বাবাকে বলল। তুইতো খুব ক্লান্ত? তোর তো খুব খিদে পেয়েছে। বাবা সত্যিই ক্লান্ত ছিল এবং খিদেও পেয়েছিল। কিন্তু অবাক হয়ে গিয়েছিল এই ভেবে যে এক অচেনা লোক এটা জানলো কি করে।
সন্ন্যাসী বাবাকে হাত মুঠো করে মিস্টি খেতে দিয়েছিল। বাবা বলেছিল যে অপূর্ব তার স্বাদ। খেতেই ক্লান্তি গায়েব। সন্ন্যাসী বাবাকে বলেছিল তোর দুজন পুত্র হবে। এদের একজন এক বিশেষ ব্যক্তি।
বাবা নাস্তিক মনের মানুষ। বাড়ি ফিরে মাকে ঘটনাটি বলেছিল। এর কিছুদিন পর আমার আধা নাস্তিক মা একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলো।
মা কখনোই কোনো মন্দিরে যায়নি। দেখলো পাহাড়ের উপর এক শিব মন্দির। সেখানে শিবলিঙ্গ থেকে দুটি বিশালকায় সাপ যার একটি মোটা ও অন্যটি রোগা বেড়িয়ে এল। একটা মাকে আর অন্যটি আমার দাদুকে তাড়া করল।
এরকম আরও ব্লগ পড়তে, আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো করুন।
আমার মার আবার সাপে খুব ভয়। ভয়ে মার ঘুম ভেঙ্গে গেল। এর কিছুদিন পর আমি আর আমার যমজ ভাইয়ের জন্ম হল একটি বিশেষ দিনে যেদিন শিব ও দুর্গার অর্থাৎ শক্তির মিলন হয়েছিল। ওই দিনে ছিল নীল পুজো।
—————-
কাহিনীটা যদি সম্পুর্ন পড়তে চান তবে ব্লগটি ফলো করুন। আর শেয়ার করে অন্যান্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন।
Discover more from Adhyatmik
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
