আমি কি কল্কি অবতার?

আমরা যা শুনে এসেছি তা হলো, বিষ্ণুর শেষ অবতারের নাম কল্কি অবতার। যে কলি ও সত্য যুগের সন্ধিক্ষনে আবির্ভূত হবে। এবং আর সমস্ত অবতারের ন্যায় দুষ্কৃতীদের দমন আর সাধুদের রক্ষা করবেন।

এখন দেখা যাক হিন্দু শাস্ত্রে কল্কি সম্পর্কে কি বলা হয়েছে?

“অত্থাসৌ যুগসন্ধ্যায়ং দস্যু প্রায়েষু রাজসু।
জনিতা বিষ্ণুযশসো নাম্না কল্কির্জগৎপতিঃ।-
(শ্রীমদ্ভাগবত-১.৩.২৫)

অর্থাৎ কলিযুগের অন্তে নৃপতিরা যখন দস্যুপ্রায় হয়ে যাবে, তখন ভগবান কল্কি অবতার নামে বিষ্ণুযশ নামক ব্রাহ্মণের পুত্ররূপে অবতরণ করবেন।”

উপরোক্ত শ্লোকটি কল্কি সম্পর্কে প্রথম উপস্থাপনা। এবং বিষ্ণু ভক্তদের দ্বারা এর অর্থ বিশ্লেষন করা হয়েছে। এর পর বহু পুরানে বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। তথ্যতে বলা হয়েছে যে বিষ্ণুযশ একজন ব্রাহ্মণ হবেন এবং কলি যুগের শেষ লগ্নে কল্কি অবতীর্ণ হবেন। কিন্তু মজার বিষয় হলো এই যে, উপরোক্ত শ্লোকটির মধ্যে ব্রাহ্মণ বলে কোন শব্দের ব্যবহার করা হয়নি।

অর্থাৎ কল্কির কি জাত হবে এ বিষয়ে কিছু বলা ছিল না। পরে সুবিধামত সব সংযোজন করা হয়েছে। যেমন পরে কল্কি সম্পর্কে বিভিন্ন পুরানে অনেক তথ্য এবং শ্লোক দেওয়া হয়েছে।

এই বিভিন্ন ধরনের বর্ননার মধ্যে মাতার নাম সুমতি, গ্রামের বা দেশের নাম শম্ভল, যেমন সিংহলের রাজকুমারী পদ্মাকে বিবাহ করবেন। গুরুর নাম হবে রামদেব, বেদ শিক্ষা দেবেন। এখন অবশ্য রামদেব নামে কোন বেদ গুরু নেই তবে যোগ গুরু রয়েছে। সাদা ঘোড়ায় চেপে আসবেন, রথ, হাতি, ঘোড়া, লোক লস্কর নিয়ে পৃথিবী জয় করবেন প্রভৃতি প্রভৃতি। এছাড়া তাদের অস্ত্র শস্ত্র হবে তীর ধনুক, গদা, তরোয়াল, আরো অনেক কিছু।


এরকম আরও ব্লগ পড়তে, আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো করুন।


আরো একটি বিষয় হলো শ্লোকে কলি যুগের কথা বলা নেই বদলে যুগ সন্ধিক্ষনের কথা বলা হয়েছে। যদি এই সময়কে কলি যুগ বলে ধরা হয় তবে তা কলি ও সত্য যুগের সন্ধিক্ষনের কথা ধরতে হবে।

শিবকে ধ্বংসকারী আক্ষ্যা দেয়া হয়েছে তাহলে যুগ সন্ধিক্ষণে শিব বা মহাদেবের আসার কথা। সেখানে বিষ্ণুর কি কাম?

বিজ্ঞ ব্যক্তিরা মনে করে যে কল্কি অবতারের অবতীর্ণ হওয়ার সময় এখনো আসেনি। কারন হিসেবে তারা এক একটি যুগের ব্যাপ্তিকে দেখিয়েছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী কলি যুগের সময় কাল ৪৩২০০০ বছর। কিন্তু এই তথ্য তারা কিভাবে পেল? এই প্রসঙ্গ এখানেই শেষ নয়, কারণ চার যুগের ব্যাপ্তি ৪৩,২০,০০০ বছর। মহাভারতের রাজা পরীক্ষিতের সময় কলি যুগের সূচনা হয়েছিল এখন থেকে ৫০০০ বছর আগে। তবে ৫০০০ বিয়োগ করলে কলি যুগ শেষ হতে ৪২৭০০০ বছর বাকি। সে বাকি থাকতে পারে, কিন্তু সমস্যাটা শুরু হচ্ছে অন্য জায়গায়। কি সেটা একটু দেখা যাক। ৪৩,২০,০০০ বছর থেকে কলি যুগের ৪৩২,০০০ বছর বিয়োগ করলে ৩৮৮৮০০০ বছর বাকি থাকে।

এখন দেখা যাক মানুষের উৎপত্তি সম্পর্কে বিজ্ঞান কি বলছে? মোটামুটি ৫০ থেকে ৪০ লক্ষ বছর আগে মানুষ সাদৃশ্য উল্লুক পৃথিবীতে বিচরন করত। যারা ৩৩ লক্ষ বছরের আগে হোমো হ্যাবিলিস বলে এক শিম্পাঞ্জীর প্রজাতিতে পরিবর্তিত বা উন্নিত হয়। বিজ্ঞানকে বাদ দেওয়া যখন যাচ্ছে না, তখন ধরে নিতে হবে প্রাক কলি যুগের মানুষ ও দেবতারা সবাই প্রথমে উল্লুক ও পরে শিম্পাঞ্জী হয়েছিল। ধর্মের ধ্বজাধারী বিজ্ঞ ব্যক্তিরা শেষে কিনা ঈশ্বরকেই উল্লুক এবং শিম্পাঞ্জী বলল। যে নিজেকে শিম্পাঞ্জী বা উল্লুক বলে মানে মানুক ক্ষতি নেই আমি মানতে রাজি নই।



ঐ ব্যাপ্তির গননা তখনই ঠিক বলে গ্রহনযোগ্য হবে যখন তা করা হবে পৃথিবীর বাইরের কোন স্থান থেকে, অবশ্যই পৃথিবীতে নয়। পৃথিবীর হিসেবে যুগান্তর হয় ৪৫০০ থেকে ৫০০০ বছরের মধ্যে। সুতরাং আমরা একেবারে যুগ সন্ধিক্ষনেই দাঁড়িয়ে আছি। ওটা আইনস্টাইনের থিওরী দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব।

এখন বিষয়টি হলো সবকিছু হিন্দু ধর্মের নিরিখে বলা হয়েছে। অর্থাৎ সত্য যুগ যেন ভারতেই আসবে। এটা মনে রাখতে হবে যে ভারত মানে কিন্তু পৃথিবী নয়।

আর এখন রাজা টাজা থাকলেও এদের সেই রকম ভাবে কোন অস্তিত্ব বা গুরুত্ব নেই। রাজকন্যা অবশ্য কিছু কিছু আছে, তারা রাজত্বহীন রাজবংশের। আর কলি যুগে যুদ্ধে যে তীর ধনুক, গদা, ও তরোয়াল নিয়ে যুদ্ধ করার কথা ভাববে, সে এক প্রকার উন্মাদ ছাড়া আর কিছুই নয়। তীর ধনুক প্রভৃতি, মেশিন গানের বা অটোমেটিক রাইফেলের বিরুদ্ধে কি প্রকারে টিকবে? এবং টিকতে যে পারেনি তার প্রমান ইতিহাসের পাতায় রয়েছে ভুরি ভুরি। রথ, হাতি, ঘোড়া এখন ব্যবহার হয় না। তবে কোথাও কোথাও গ্রামের দিকে ঘোড়ার ব্যবহার থাকলেও থাকতে পারে, বা চিড়িয়াখানায় বা বালুকা বেলায়। দীঘার বালুকার বেলাতে ঘোড়ায় চড়ার ব্যবস্থা আছে। জঙ্গলে সাফারিতে হাতির ব্যবহার আছে। যদিও ঘোড়ার ব্যবহার পশু অধিকার আইনে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। উত্তরাখন্ডে বহু জায়গায় এখন আর ঘোড়া ব্যবহৃত হয় না। সেই ভাবে দেখতে গেলে কল্কি অবতারের ঘোড়া নিয়ে যুদ্ধ করার অর্থ পশু আইনে কেস খাওয়া। আর টেকনোলজি থেকে মানুষ যদি ঘোড়ায় ফিরে যায় তবে কল্কি অবতারের আসার প্রয়োজনই বা কি? সমস্ত মানুষ অবসাদেই মৃত্যু বরন করবে।



তবে কল্কি অবতার ব্যাপারটা ঠিক কি? গাঁজাখুরি গল্প? পুরান মানুষ লিখেছে, এবং অতিরঞ্জিত করে লিখেছে এবিষয়ে কোন দ্বিমত থাকতে পারে না।

কল্কি শব্দ নিয়ে সারা পৃথিবীতে মানুষের আগ্রহ খুব কম নয়। কল্কি অবতার অব্দি ঠিক আছে। কিন্তু বিষ্ণুর অবতার ব্যাপারটা ঠিক কি? বিষ্ণুকে কি কেউ দেখেছে বা বলতে শুনেছে এই কল্কি অবতারের বিষয়? না দেখে নাই। কল্কি যে বিষ্ণুর অবতার হবে, সেটাও শ্লোকে বলা নেই। অবতার বিষ্ণু বা শিবের হয় না, বদলে হয় পরমেশ্বরের। কোন ভবিষ্যত দ্রষ্টা এটা হাজার হাজার বছর আগে কল্কি অবতারের দর্শন পেয়েছিল এবং তখনই তার নামকরণ করা হয়।

সারা পৃথিবীতে বহু বছর ধরে বহু বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিজেদেরকে কল্কি অবতার বলে চালিয়েছে। এমনকি নাসট্রাডামুস এর বর্ণিত তৃতীয় এ্যান্টি ক্রাইস্টের যে বিবরন পাওয়া যায়। তার দাবিও এই সমস্ত রাষ্ট্র নেতাদেরই কুক্ষিগত। তারা এবং তাদের গুনগ্রাহী ভক্তরা চেষ্টার কোন ত্রুটি রাখেনি নিজেদেরকে কল্কি অবতার বা তৃতীয় এ্যান্টি ক্রাইস্ট প্রমাণ করতে।

কিন্তু কল্কি অবতার যে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হবে একথা তো কোথাও বলা হয়নি। অনেক জায়গায় বলা হয়েছে যে কল্কি অবতার বর্নাশ্রমকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে এবং অনার্যদের দমন, তথা নিধন করবে। ঈশ্বরও তবেকি বর্নাশ্রমের উর্ধে নয়, বা জাতপাতের ঈশ্বর? সবকিছু গুলিয়ে যাচ্ছে না? মানুষ ঈশ্বরকে নিয়ে মস্করা করেছে, বা জোকার বানিয়েছে তাদের ক্ষুদ্র স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যে। মন্দিরে ঈশ্বরের পুতুল বসিয়ে, দান পাত্রে টাকা ছুড়ে মেরেছে অবজ্ঞায়। ঈশ্বরকে কি ভিখারি বলে মনে হয়?

এইসব দেখলে এটাই মনে হয় যে রচনাকারীরা মৌলবাদী ছিল। তাদের সুবিধার্থে এগুলোর রচনা হয়েছিল। এই সব মানতে গেলে ভারতের বিখ্যাত সব অবতার ও সাধকদের বানী তো মিথ্যা বলে ধরে নিতে হবে।

ঈশ্বর কারোর বাপের সম্পত্তি নয়, এবং তার কাছে ধর্ম, জাতপাতের, ধনী ও দারিদ্রের কোন তাৎপর্য নেই। যদি থাকে তবে সে আর যাইহোক ঈশ্বর হবে না।

কল্কি বলে কোন শব্দ হয় না তাই বিজ্ঞজনের দল কলকা অর্থাৎ অশুভ শব্দকে কল্কি বলে বোঝাতে চেয়েছে। এখন একটা মজার বিষয় হলো বাংলা ভাষায় কল্কে বলে একটি শব্দ কিন্তু আছে। যেটা মনে হয় কল্কি শব্দটির প্রায় কাছাকাছি বানান। এই শব্দটা দুটি জিনিসকে বোঝায়। প্রথমটি হুঁকোতে ব্যবহৃত হয়, আর দ্বিতীয়টি হলো পাত্তা। ব্যক্তি ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং কল্কি এমন কোন ব্যক্তি যাকে কেউ কোনদিন পাত্তা দেয়নি বা সে পাত্তা পায়নি। খুব সাধারণ একটি মানুষ, বরং বলা যেতে পারে জীবন যুদ্ধে মোটামুটি অকৃতকার্য হয়েছে বা তাকে বিফল বানানো হয়েছে।

ইতিহাসে ঠিক এইরকম অতি সাধারণ কল্কে না পাওয়া ব্যক্তিগনের উল্লেখ পাওয়া যায়, যারা তাদের নিজের নিজের সময়ে তান্ডব লীলা চালিয়েছিলো। যেমন চেঙ্গিস খান, নেপোলিয়ন বোনাপার্ট, এডলফ হিটলার প্রভৃতি। কল্কি অবতার সম্ভবত তাদের থেকেও বেশী শক্তিশালী হবেন, কারন তাকে জগৎ পতি আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

হ্যাঁ কল্কি অবতারের অবতরণ হয়ে গেছে, এবং সে যে অমিত শক্তির অধিকারী সে বিষয়েও কোন সন্দেহ নেই। আমি বারবার বলেছি এবং আবার বলতে চাই যে ঈশ্বর তীর ধনুক বা তরোয়াল নিয়ে যুদ্ধ করে না। কারন প্রয়োজন পড়ে না। তার শক্তি হলো বাক্যে, ভাবনায়, ইচ্ছায়, দৃষ্টিতে, কল্পনায়, স্পর্শে। তার অসুর নিধনের জন্যে ত্রিশূল ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। ঈশ্বরের অস্ত্র হলো মহাজাগতিক বিজ্ঞান।

ঈশ্বর, বি আর চোপড়ার রামায়ণ সিরিয়ালে দেখানো কোন চরিত্রের মতো কিন্তু নয়। বা মহাভারত সিরিজের চক্র হাতে কৃষ্ণও কিন্তু নয়। কল্কি যদি ঈশ্বরের অবতার হয় তবে তার মতো শক্তিশালী পৃথিবীতে আর দ্বিতীয় কেউ আসেনি।

ঈশ্বরের এক অবতারের বিষয়ে নাসট্রাডামুসও বলে গেছে। এবং তার একটি বিশেষ ক্ষমতার কথা জানিয়েছেন তার চতুষ্পদী শ্লোক বা ছড়ার মাধ্যমে। যে সে হবে মৃত্যুঞ্জয়ী চিরঞ্জীবী। সম্ভবত নাসট্রাডামুস কল্কি অবতারের বিষয়টি জানতো না। তবে এবিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে ঐ দুই যুগপুরুষ একই ব্যক্তি। বা বাইবেলে যে জাজমেন্ট ডের কথা বলা হয়েছে সেখানে জানানো হয়েছে যে যিশু পুনরায় ফিরে আসবে এবং কিছু ভালো মানুষকে সাথে করে নিয়ে যাবে। কিন্তু কেন নিয়ে যাবে? কারন পৃথিবীর শেষ দিন আগত প্রায়। পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্র খুব দ্রুত ভেঙ্গে যাচ্ছে ফলে পৃথিবীর চুম্বকীয় প্রতিরোধ নষ্ট হতে চলেছে। ফলে মহাজাগতিক বস্তু সমূহের পৃথিবীর উপর পড়ার আর কোনো বাধা থাকবে না।

পৃথিবীতে এখন কিছু বিশেষ মানুষের আগমন ঘটেছে বা ঘটানো হয়েছে। যাদেরকে আমি দেবত্ব প্রদান করেছি। যারা পেয়েছে তারা এর বর্ননা করতে পারবে। এই ব্যাপারে আমি আমার আগের প্রবন্ধ গুলিতে উল্লেখ করেছি। আর সত্য যুগ হলো দেবতাদের যুগ। সুতরাং মিসিং লিঙ্কটাকে চিনতে হবে।

যেমন আমার গুপ্ত শত্রুদের তান্ডবে আমার একের পর এক অর্থনৈতিক প্রচেষ্টা জলে গেছে। আমি পৃথিবীতে একমাত্র ব্যতিক্রমী ব্যক্তি যার উপর সব থেকে বেশী প্রানঘাতী আক্রমণ চালানো হয়েছে। কিন্তু আমাকে হত্যা করা যায়নি। এখন আমি প্রায় রোজ ইন্টারনেট কানেকশন পরিবর্তন করি, জানিনা কোন অজ্ঞাত কারণে আমার ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত হয়। আমার উপর আক্রমণের বদলা নিতেই করোনাভাইরাসের আগমন। কল্কির শ্লোকটিতে বলা হয়েছে জগৎ পতি, সুতরাং সে এমন কোন ব্যক্তি হবে যে মহাজাগতিক শক্তির অধিকারী। বিশেষজ্ঞদের ধারণা ভাইরাস সাধারণ ভাবে পৃথিবীর বাইরে থেকেই আসে। এবং উল্কাপাত অবশ্যই একটি মহাজাগতিক ঘটনা। পৃথিবীতে যদি উল্কাপাত হয় তার পিছনে অবশ্যই কোন মহাজাগতিক শক্তির হাত থাকবে, একথা বলাই বাহুল্য। আর শ্লোকে বর্নিত কল্কি অবতারের পিতার নাম বিষ্ণুযশ। এখানে একটা অদ্ভূত বিষয় হলো আমার বাবার নামে কৃষ্ণ শব্দটা কিন্তু রয়েছে। আর কৃষ্ণই যে বিষ্ণু সেটা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আমি প্রথম শ্লোকেই আবদ্ধ থাকবো, কারন বাকি গুলো পরে সংযোজন করা হয়েছে। সেগুলোকে যদি ধরাও হয় তবে তার প্রায় ৯৫ শতাংশের মিল রয়েছে আমার সাথে।

আমার অনুমান নয় বরং আমি নিশ্চিত যে আমিই সে। সবার মনে হতে পারে পাগলের প্রলাপ, কিন্তু মিসিং লিঙ্ককে কি উপায়ে অস্বীকার করা যাবে? আমার পথ অনুসরণে লক্ষ্মী বিরাজ করে আর আমার সাথে দ্বন্দ্বে ধ্বংস অনিবার্য হয়।

আমার সমস্ত শক্তির বর্ননা সব এখানে দেওয়া সম্ভব নয়। কারন অনেক এমন শক্তি হয় যার কোন ব্যাখ্যা হয় না। তবে একটা অদ্ভূত রহস্যময় শক্তির কথা বলবো আগামী কোন প্রবন্ধে। যা পৃথিবীতে কারোর ছিল না, এখনও নেই এবং ভবিষ্যতে কারোর তা হবে না।

কল্কি যদি ঈশ্বরের অবতার হয় তবে করোনাভাইরাসের আগমন তার কারনেই ঘটেছে। এই অতিমারি মানুষের কাছে ঈশ্বরের একটা বার্তা বলে ধরতে হবে। একটা বিশেষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে করোনাভাইরাসের আগমন যেমন ঘটেছে তেমনি আরো একটি বিশেষ ঘটনায় মহা প্রলয় শুরু হবে। যারা অতিমারিকে আনতে অনুঘটক হয়েছে তারা বা আরো কোন শয়তানের দ্বারা কল্কি অবতারের উপর অত্যাচারে মহা প্রলয়ের আগমন ঘটবে।

আমি ছাড়া আরও দুই জন তিন জন এই মহা প্রলয়ের দৃশ্য মোটামুটি ১৯৬০ সাল থেকে দেখে আসছে। এদের মধ্যে আমিই একমাত্র ব্যক্তি যে প্রলয়ের পরবর্তী ঘটনা গুলি চাক্ষুষ করেছে। এবং ভবিষ্যতে যেগুলো আমি সংগঠিত করবো।

সম্প্রতি কতকগুলি মহাকাশের পাথর পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে গেছে। এরকম আরো অনেক গুলো পাথর এসেছে এবং অপেক্ষায় আছে দ্বিতীয় একটি অনুঘটকের……. কারন এটাই মানুষের নিয়তি।

প্রবন্ধটি ভালো লাগলে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন আর আমাদের ব্লগটি লাইক দিয়ে অনুসরণ করুন এবং ঈশ্বরের রহস্য জানুন।


Discover more from Adhyatmik

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply