পৃথিবীর বয়স আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ক কি?

চারি দিকে শুধু হানা হানি। এমন পৃথিবীর স্বপ্ন কি দেখেছিলাম? মানুষ এতো অবিশ্বাসী আগে কখনো হয়নি। যারা স্যোসাল সাইটে ধর্ম নিয়ে আলোচনা করে তাদের মতো অবিশ্বাসী আর দুটো নেই। নোয়া বা মনু বলেছিল মহা প্লাবনের কথা। অহংকারী মানুষ বিশ্বাস করেনি।

বলা হয় তার আগে মানুষের হাতে আঙ্গুলের মধ্যে পাতলা চামড়ার আস্তরন ছিল। যখন নতুন মানুষকে আনার প্রয়োজন ছিল তাই তখন মহা প্লাবনে সব ডুবেছে। যতো অবিশ্বাসীর দল। এবার পৃথিবীর ধ্বংস হওয়ার পালা কারন মানব জাতির এমন দুর্দশা যে যারা ধর্ম নিয়ে আলোচনা করে তারা বেশি অধার্মিক।

পৃথিবীর ধ্বংস কতক গুলো পর্যায়ে হবে। প্রথমটি এসেছে নাম করোনাভাইরাস। এরপর দ্বিতীয়টি আসছে। আর শেষেরটির কথা ১৯৬৫ সাল থেকে ভবিষ্যৎবাণী হচ্ছে। যেটা একটা গ্রহানু যা চাঁদের থেকেও বড়। ওটা পড়তে চলেছে আটলান্টিক সাগরে। আর স্বয়ং ঈশ্বর ওটাকে আকর্ষন করছেন পৃথিবীতে বসে।

মৌলবাদ মোটেও ভালো কথা না। যা অজানা তা পাগলামি সব সময় হয় না। জানালা খোলা রাখলে কিছু পাথর পড়ার দৃশ্য মৌলবাদীরা দেখতে পারবে হয়তো কিছু সেকেন্ডের জন্যে তারপর হবে বিশাল জলোচ্ছাস আর তারপর বুম ফট।

শেষ মুহূর্তে মৌলবাদীরা কে পাগল সেটার খোঁজে আয়নায় দেখার সময় পাবে তো? এই মানুষের প্রয়োজন ফুরিয়েছে। এখন আমি মানুষকে নতুন শক্তি দিয়েছি। তা হলো দৈব শক্তি। যারা পেয়েছে তাদের কয়েক জনকে নিয়ে আমি যাচ্ছি এক নতুন পৃথিবীতে যার চারটি চাঁদ।

NASA সব জানে কিন্তু বলছে না কারন হইচই বেধে যাবে। এর জন্যে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে না। কোন এক ভবিষ্যৎবাণীতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলা হয়েছে আমেরিকার শেষ রাষ্ট্রপতি। কিন্তু কেন? ভেবে দেখ এখন তো আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ইলেকশন হচ্ছে। যদি ট্রাম্প জিতে যায় তবে পৃথিবীর বয়স পাঁচ বছর আর যদি হেরে যায় তবে পৃথিবীর বয়স মাত্র কয়েক দিন।

ও হ্যাঁ বলা হলো না, নতুন মানুষেরা কি ভাবে আলাদা? তারা টেলিপ্যাথিক। আমার দৈব বানী শুনতে পায়। আমার চোখ দিয়ে দেখতে পায় আর আমার স্পর্শ অনুভব করতে পারে। তারা কোন পাগলার কল্পনা নয়। ভারতের মানুষ, কয়েক জন তো কলকাতায় থাকে।


এরকম আরও ব্লগ পড়তে, আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো করুন।



Discover more from Adhyatmik

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply