
ভারতে আধ্যাত্মিকতার উন্মেষের স্তর এখনও শৈশব পেরোতে পারেনি। যদিও ভারতে এক সময় আধ্যাত্মিকতা বিকাশ লাভ করেছিল। কিন্তু, সেই বিকাশ ধর্মীয় উন্মাদনার চোরাবালিতে আটকে গিয়েছে।
ভারতের মানুষ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মানুষদের থেকে অনেক বেশি ধর্মীয়। ফলে ধর্মের বেড়াজালে বা ধর্মীয় চোখ রাঙ্গানীতে আচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে। আর তা আধ্যাত্মিকতাকে বিকাশ লাভ করতে দেয়নি।
আধ্যাত্মিকতা ধর্মের ধার ধারে না। এ এক বিদ্রোহী পরম্পরা। আধ্যাত্মিক সাধক তার সাধনার পথকে বিস্তার করে পরীক্ষা ও নিরীক্ষার মাধ্যমে। সেই হলো প্রকৃত সাধনা, আর তাতেই তো আসে সিদ্ধি।
কিন্তু ভারতে সাধনার উপকরণেই রয়েছে প্রতিবন্ধকতা। মৌলবাদী সমাজ ধর্মীয় পূজো পার্বনেই মেতে রয়েছে। যেখানে জমক হয়তো রয়েছে কিন্তু ফল কিছু নেই। বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের পকেট হয়তো ভরে কিন্তু দার্শনিক জ্ঞানের উৎকর্ষতা নেই।
এবং এই জন্যই দলে দলে সাধক পাড়ি দিয়েছেন বিদেশে। আর তাদের হাত ধরেই আজ বিশ্বের দরবারের পাশা পাল্টে গিয়েছে। পশ্চিমী দুনিয়া হয়ে উঠেছে বিজ্ঞানে এবং সামরিক শক্তিতে পরাক্রমশালী।
অনেকেই হয়তো আমার কথা মেনে নিতে পারবেন না। কিন্তু এটাই বাস্তব, সোশ্যাল মিডিয়া পর্যালোচনা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। স্যোসাল মিডিয়াতে ভারতে যে সমস্ত আধ্যাত্মিক, তান্ত্রিক গ্রুপ রয়েছে তার সবগুলোই প্রায় ধর্মীয় গ্রুপ। আর, তাদের সদস্যরা সবাই বিভিন্ন ঠাকুর দেবতায় আটকে রয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে পিছনে রয়েছে বাঙ্গালীরা। এরা আধ্যাত্মিকতা বলতে শুধু সনাতন ধর্মকেই বোঝেন।
সেখানে আমেরিকায় এবং ইউরোপের দেশগুলো এমনকি রাশিয়া ও চীনে আধ্যাত্মিকতা সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টের অঙ্গ। এর মধ্যে গুপ্তচর, সামরিক উন্নয়ন, প্রভৃতি রয়েছে।
আমেরিকা ও ইউরোপে ধ্যান বিভিন্ন স্কুলে ছোট বেলা থেকে শেখানো হয়। টেলিপ্যাথি ভারতের মানুষ বিশ্বাসই করে না। সেখানে গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ (CIA), কেজিবি (KGB), এমআইসিকস (MI6), এবং অন্যান্য এজেন্সির বিশেষজ্ঞরা টেলিপ্যাথি, তন্ত্র প্রভৃতির সাহায্যে নিজেদের দেশকে আরো শক্তিশালী করে তুলেছন।
ভারত বৃটিশের দাসত্ব থেকে আর কিছু না পেয়ে থাক, তবে মৌলবাদী মনোভাবটি পেয়েছে। যার প্রভাবে আজ নব্য ভারতীয়রা একটি নকল দর্শনে নিজেদেরকে আবদ্ধ রেখেছে।
উল্টো দিকে আমেরিকা ও ইউরোপের মানুষ ভারতের বেশিরভাগ প্রাচীন গ্রন্থ নিজেদের অধিকারে এনেছে। এগুলো শুধু মাত্র প্রাচীন পুস্তক নয় বরং দুষ্প্রাপ্য জ্ঞানের সম্ভার। যার ব্যবহারে আজ পাশ্চাত্য সভ্যতার উন্মেষে ঘটেই চলেছে।
টেলিপ্যাথিতে যে দূর দৃষ্টি সম্ভব, সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আজ বিভিন্ন গুপ্তচর সংস্থা দুর্লভ তথ্য ভান্ডারে ভাগ বসিয়েছে।
ব্লগটি ভালো লাগলে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন আর আমাদের ব্লগটি অনুসরণ বা follow করুন (click on follow)
এরকম আরও ব্লগ পড়তে, আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো করুন।
Discover more from Adhyatmik
Subscribe to get the latest posts sent to your email.

