
আমার আর তারার অনেক অনেক যুগের সম্পর্ক। কখন সে সম্পর্ক শুরু হয়েছে তা সঠিক ভাবে বলা মুশকিল। হয়তো তারার সৃষ্টির সময় থেকেই।
অবাক হওয়ার কিছু নেই, আমি সতীর দশ মহাবিদ্যার দ্বিতীয় রুপ দেবী তারাকে নিয়েই লিখছি।
একজন মানুষকে তার বাইরের প্রকাশ দেখে সবার জানা সম্ভব নয়। একজন প্রকৃত সাধকই কেবলমাত্র একজন সাধককে চিনতে পারে।

সুরক্ষা, সম্পদ ও মোক্ষের জন্য বাড়িতে, অফিসে মা তারার মুর্তি রাখুন ও পূজা করুন।
অনলাইনে মা তারার মূর্তি কিনুন
একবার ভাইয়ের অনুরোধে তন্ত্রপীঠ তারাপীঠে ঘুরতে গিয়েছিলাম। মন্দির থেকে বেশ দূরে একটা রির্সটে উঠেছিলাম। একটি নাছোড়বান্দা লোক এসে মন্দিরে যাওয়ার জন্য পিড়াপিড়ি করছিল। আমার মন্দিরে যেতে তেমন ভালো লাগে না। যতবার গেছি তা কখনোই পূজা দিতে নয়। বরং বিভিন্ন উদ্ভট কারণে।
আমি লোকটিকে বলেছিলাম যে আমি মন্দিরের এতো কাছে এসেছি, তা তোমাদের মা তো আমার কাছে একটু আসতে পারেন। এবং আমার একটু সেবা করতে পারেন।লোকটি আমার কথা শুনে বোধহয় ভেবেছিল যে আমি ঘোর নাস্তিক।
সেদিন রাত্রে আশে পাশে ঘোরাঘুরি করার কারনে খুব পা ব্যাথা করছিলো। রাতে যে খুব একটা ভালো ঘুম হয়েছে তা বলা যায় না। একসময় মনে হলো কে যেন আমার পা টিপে দিচ্ছে। খুব আরাম উপভোগ করছিলাম। মনে হচ্ছিল যে তার স্পর্শ যেন আমার বহু যুগের চেনা। এবং সে আমার একান্ত আপনজন, যেন আমার শরীরের অংশ। সেইসময় মুখে একটা ব্রণ থেকে আঁচিলের মতো হয়ে গিয়েছিল। কিছুতেই সেটা পড়ছিল না। ডাক্তার বলেছিলেন যে একটা ছোট অপারেশন করতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি পা ব্যাথা সম্পূর্ণ সেরে গেছে সাথে আঁচিল খুলে পড়ে গেছে। বুঝলাম দেবী তারা রাতে এসেছিল।
এর পর বেশ কিছুদিন কেটে গেছে। তখন বাড়িতে একা থাকি, আর সাধনা করি। টাইম কলের জল ভরছিলাম। দেখলাম দেবী তারা আমার বাড়িতে এলো। গায়ের রং নীল সুন্দর মুখশ্রী কিন্তু পেটটা মোটা আর পরনে বাঘছাল। আমি আগে কখনো তারার মূর্তি দেখিনি। কিন্তু তারাকে একবার দেখেই চিনতে পারলাম। কি করে পারলাম জানিনা, হয়তো আমার আত্মা তারাকে চেনে।
তখন আমার শত্রুরা আমাকে ভয়ানক অত্যাচার করছে। বাড়ির বাইরে বের হলেই গুপ্ত ঘাতক এসে সিরিঞ্জ দিয়ে পিছন থেকে ফুটিয়ে দেয়। আর শরীরে ঘাতক মারণ বীজানু , বিষ প্রভৃতি ঢুকিয়ে দেয়। দেবী তারা আমাকে বলল যে তুমি তোমার প্রকাশ নীল করে দাও। যার কুণ্ডলিনী শক্তি জাগ্ৰত সে প্রকাশের রং পরিবর্তন করতে পারে। আর নীল রং একটি কবচের কাজ করে।
তারার কথা শুনে আমি আমার প্রকাশকে নীল করে দিলাম। আমি অনলাইনে ধ্যান, তন্ত্র প্রভৃতি শেখাই। আমার এক ছাত্র অনলাইন ক্লাস চলাকালীন আমাকে বলল যে গুরুজী আপনার চেহারাটা কেমন নীল দেখাচ্ছে।
সম্প্রতি আমার তন্ত্র ক্রিয়ার বেশ কিছু ক্লায়েন্ট একটা অদ্ভূত কথা শেয়ার করেছেন। যে তারা যখন আমার নির্দেশ অনুযায়ী তন্ত্র ক্রিয়া সম্পন্ন করে তখন কোন কালো রং এর দেবী আর্বিভূত হন। আমি ক্রিয়া করার সময়ে কালী, তারা, ও দূর্গাকে অনুরোধ করি যেন তারা আমার ক্রিয়ায় অংশ গ্ৰহন করে। কালো রং এর যে ছায়া মূর্তি দেখা যায় এটা যে কালী এবং তারা এবিষয়ে কোন সন্ধেহ নেই।
এই লেখাটি কোন গল্প নয় অভিজ্ঞতা থেকে অনুভূতি। কাউকে বিশ্বাস করানোর দ্বায়িত্ব আমার নয়।
ফেসবুক পেজ ফলো করুন।
Discover more from Adhyatmik
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
