আত্মার অস্তিত্ব কোথায়?

আগেকার সময় কোন প্রিয়জনের মৃত্যু হলে সবাই বলতো যে মৃত ব্যক্তি আকাশের তারা হয়ে গেছে। ছোটরা তখন রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে তাদের প্রিয়জনকে খুঁজে দেখত। এটা কোন রুপকথার গল্পঃ নয় বা পুরাকথা নয় বরং বলা যেতে পারে লক্ষ গুণ সত্যি।

এই জগৎ যেখানে কোটি কোটি এস্ট্রোয়েড, গ্ৰহ, উপগ্ৰহ, নক্ষত্রর, নক্ষত্র পুঞ্জের সমাবেশ। জগতের জন্ম লগ্ন থেকে এদের অনেকের‌ই সৃষ্টি হয়েছিল। এরাই আদী ও অনন্ত। আবার এদের থেকে বাকিদের সৃষ্টি হয়েছে কিছু পরে।

মাল্টিভার্স তত্ত্ব পরামর্শ দেয় যে আমাদের মহাবিশ্ব, তার শত শত বিলিয়ন ছায়াপথ এবং প্রায় অগণিত নক্ষত্র সহ, কয়েক বিলিয়ন আলোকবর্ষে বিস্তৃত।

এই সবকিছু আসলে জীব আত্মার শারীরিক প্রতিনিধিত্ব। এই বিষয়টি আধ্যাত্মিক বা আত্মায় বিশ্বাসী না হলে ঠিক মতো বোঝা যাবে না। শুধু আধ্যাত্মিক হলে হবে না তার সাথে সাধক হতে হবে। তখনই তাদের কেউ কেউ এই রহস্যের কিনারা করতে পারবে।

এই রহস্য আমি চাক্ষুষ দেখেছি। এমনকি কেউ কেউ আমাকে দেখেছে যে বিশালকায় জগতের মতো। অর্থাৎ একটি উজ্জ্বল আলোক পুঞ্জের গোলা।

অনন্ত কাল ধরে এই মহাজাগতিক বস্তু গুলো রয়েছে। এদের কোন ক্ষয় নেই, বিভাজন নেই। কিন্তু ধ্বংস আছে। ঠিক যেমন আত্মার হয় ঠিক সেইরকম।

দেব দেবীরা বেশীরভাগই কিন্তু অশরিরী অর্থাৎ নিরাকার। এরা আত্মায় বিচরণ করে এবং সর্বত্র এদের বিচরণ সম্ভব কোন কিছুই এদের পথে বাধা হতে পারে না। তবে বিশেষ বিশেষ লোকে এরা শারীরিক অবস্থায় বিদ্যমান।

এরজন্য‌ই পৃথিবীতে যখন কোন সাধক সাধনা পূর্তিতে অভীষ্ট দেবতা বা দেবীর দর্শন লাভ করেন তখন তার অশরিরী হয়। সুতরাং সাধক যদি ভুত বা আত্মা দেখতে সমর্থ না হন তবে অভীষ্ট দেব দেবীর উপস্থিতি টের পাবেন না। এবং সাধনা বৃথা যাবে।

এই জন্য বলি সাধ থাকলেই হবে না সাধ্য‌ও থাকতে হবে।


Discover more from Adhyatmik

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply