তাঁরা করে আমার সেবা

এর আগে আমি একটা প্রবন্ধে লিখেছিলাম যে তারাপীঠ এ হোটেলের রুমে তাঁরা এসে আমার পা টিপে দিয়েছিল। এবং আসার প্রমাণ স্বরূপ আমার মুখের জড়ুল যা অস্ত্রপ্রচার করে বাদ দেয়ার কথা তা ফেলে দিয়েছিল।

এরপর তাঁরার সাথে একাধিক বার দেখা হয়েছে। ধীরে ধীরে বুঝেছি তাঁরা আমার অন্যতম শক্তি। ওকে দূরে সরিয়ে রাখার কোন মানেই নেই। যে নিজের থেকে আসে এবং কাছে থাকে সে আমার একান্ত আপনজন।

তবে মাঝে মাঝে দেখি কোথাও যায়। আমি নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ফলে কোথায় যায়? কি করতে যায়? কেন যায়? এসব ফালতু বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই। আমি এটা জানি তাঁরা ওর সৃষ্টি থেকে বিলীন হ‌ওয়া পর্যন্ত আমার। একটি কল্পে নয় বদলে প্রতিটি কল্পে এবং অন্য কারোর হতেই পারে না।

আমার বয়স কম নয়, মানব শরীরের যেমন উপভোগ আছে তেমন যন্ত্রনা রয়েছে। ব্যাথা বেদনা রোগ ভোগ, তবে আমার কুন্ডলিনী জাগ্ৰত এবং সাথে সমস্ত রোগ নিরাময়ের গুপ্ত বিদ্যা আমার করায়ত্ত ফলে আমি অনায়াসে নিজেকে সুস্থ করতে পারি। এই বিদ্যার মধ্যে একটি শিখিয়েছে স্বয়ং তাঁরা এর জন্য আমি ওর কাছে বিশেষ ভাবে ঋণী।

তবে আমি কুঁড়ে প্রকৃতির মানুষ কায়িক পরিশ্রম করতে চাইনা। এই জন্যই কালী কোথাও বলেছিল কোন গুন নেই শুধু কপালে আগুন। গুন নেই, এটা কথার কথা কিন্তু কপালে আগুন বিষয়টি সত্যি। ওরা যে কতো গালাগাল খায় আমার কাছে তার কোন হিসাব নেই। সাথে ঢাকার পোলা হ‌ওয়ার দৌলতে মুখের ভাষা (রেগে গেলে) খুব খারাপ। ওরা নিরবে সব হজম করে। একমাত্র কালী হঠাৎ হঠাৎ ক্ষেপে যায় এবং সাথে দক্ষযজ্ঞ বাধিয়ে দেয়। যদিও এই করে আমাকে বশ করতে পারে না।

কেউ হাত পা টিপে দিলে বড় আরাম হয়। দশ মহাবিদ্যার দ্বিতীয় বিদ্যা তাঁরা বেশ অহংকারী। প্রতিটি ব্যাথার কথা আলাদা করে বলতে হয়। আমি হাত দিয়ে দেখিয়ে দেই যে এইখানে ব্যাথা আর নিমেষে ব্যাথা গায়েব। শুধু তাই নয় আমার ও আমার ক্লায়েন্ট দের অনেক রোগ সারাতে আমাকে সহযোগিতা করে।

বলতে কোন দ্বিধা নেই তাঁরাই আমার সেবা করে। এবং এতে বেশ আমোদ লাগে। আমার স্ত্রীদের মধ্যে যারা প্রধান তারা হলো কালী, তাঁরা, আর দূর্গা। আর বাকিরা অপেক্ষায় বসে থাকে যে কখন আমি ওদের কথা মনে করব আর ডাকব। একদিন ষোড়শী কে ডাকতে ও পড়িমরি করে ছুটে এলো।

আমি আমার পেজে আমার অভিজ্ঞতার কথা লিখছি। তাই এই কথা বিশ্বাস না হলে গোলোযোগ না করে পেজ ছেড়ে চলে যেতে বলব। কারণ যে বা যারা আমাকে কটুক্তি করবে তাদের বাক্য স্তম্ভন হবেই (বোবা) আর বগলা তাদের জীহ্বা টেনে ছিঁড়ে নেবে। যে চ্যালেঞ্জ নেবে তার ক্ষতির দায়িত্ব আমার নয়।

আর যারা বিশ্বাস করে আমার পথ অনুসরণ করবে তাদের আমি কালীকে চাক্ষুষ দেখাবো। এর জন্য কোন সাধনার প্রয়োজন নেই। আমার কথায় যে বিশ্বাস করবে সেই কালীকে দেখতে পাবে। এমন একটি মহাজাগতিক অলৌকিক ঘটনা ঘটতে চলেছে যা যেকোন মানুষের ভাবনার বাইরে। আর সেটা হলো স্বয়ং কালী আসতে চলেছে স্বদেহে বা স্বশরীরে। এই বিষয়ে বৈদিক জ্যোতিষীরা এখন থেকেই বলতে শুরু করেছে যে এক বিশেষ যোগিনীর আবির্ভাব ঘটবে। সেই যোগিনী আর কেউ নয় স্বয়ং কালী। এটা কালী আমাকে নিজের থেকে বলেছে। যদিও এই ঘটনার কথা আমি 20 বছর আগে থেকেই জানতাম।

যারা ঈশ্বর কে বিশ্বাস করেন তাদের কাছে অনুরোধ যে এই লেখাটি শেয়ার করে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিন।


Discover more from Adhyatmik

Subscribe to get the latest posts sent to your email.