সরস্বতী

সব থেকে বড় সাধনা কি? উত্তর একটাই, আর সেটি হলো জ্ঞান সাধনা। বিদ্যা হলো জ্ঞান সাধনার নৈবেদ্য। আর তার দেবী হলো সরস্বতী।

সমস্ত সাধনে যা লাভ হয় তা হলো অকৃত্রিম জ্ঞান। আর সরস্বতী হলো সেই জ্ঞানদাত্রি দেবী। যার সাধনে মূর্খ কালীদাস হয়েছিলেন মহাকবি। সেই পথ ধরে কতো সাধক এগিয়ে গিয়েছেন। লাভ করেছেন বিদ্যা, অর্জন করেছেন জ্ঞান।

আসলে যে সরস্বতী সেই কালী। কোন তফাৎ নেই। নিরাকার ঈশ্বরকে যে যেভাবে উপলব্ধি করে। ঈশ্বর নিরাকার। রূপহীন। যে কারণে প্রাচীন বৈদিক আর্যরা ঈশ্বরের রূপ বর্ণনা করেছেন এভাবে-

‘রূপংরূপ বিবর্জিতস্য ভবতো ধ্যানেন যদবর্ণিতং।’

এর মানে হল-‘হে রূপহীন ঈশ্বর! ধ্যানে তোমার রূপ বর্ণনা করেছি।’

তন্ত্রমতে নারী জগতের আদি কারণ এই জন্য যে এই নিরাকার রূপহীন ইশ্বরকে যখন নারী ভাবা হয় তখন ঈশ্বরের মাহাত্ম ক্ষুন্ন হয় না। কাজেই ভক্তের মানসিক প্রবনার ওপরই মাতৃমূর্তির কল্পনা।

যে কারণে বলা হয়েছে -‘সাধকানাং হিতার্থায়ৈ ব্রহ্মণে রূপকল্পনা ‘

এর মানে হল- ‘সাধকের হিতের জন্য ঈশ্বরের রূপ কল্পনা করা হয়েছে।’

ব্লগটি ভালো লাগলে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন আর আমাদের ব্লগটি অনুসরণ করুন।


এরকম আরও ব্লগ পড়তে, আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো করুন।



Discover more from Adhyatmik

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply