
হঠাৎ দেখলাম রাস্তা আর উল্টো দিকে নিমতলা মহা শ্মশান।
আমি ভবিষ্যতের সমস্ত ঘটনা সম্পর্কে অবগত। আর তা যদি আমার সাথে সম্পর্কিত হয়, তবে তা সম্পর্কে জানব না এটা হতেই পারে না।
এটা আমি দেখি, ত্রিকালজ্ঞ হওয়ার কারণে। ভবিষ্যতের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা আমার অগোচরে ঘটবে এটা হতে পারে না। তবে নিমতলা মহা শ্মশান দেখার তাৎপর্য কি?
তার আগে জানা যাক কি ভাবে আমি এটা দেখি? দুই ভাবে এই ভবিষ্যতের ঘটনা দেখা যায়। একটি সরাসরি আর দ্বিতীয়টি অন্য কারোর মাধ্যমে। এটাকে ইংরেজি ভাষায় বলে রিমোর্ট ভিউয়িং বা দূরবর্তী দেখা। এখানে দূরবর্তী বলতে দূরত্ব নয় বরং দূর সময়। এটা দুই প্রকারের। এক ডাইরেক্ট রিমোট ভিউয়িং এবং ইন-ডাইরেক্ট রিমোট ভিউয়িং।
নিমতলার দৃশ্য অবশ্য দুই ভাবে হয়ে থাকতে পারে। প্রথমটি আমার নিজের দেখা। অর্থাৎ ভবিষ্যতের কোন ঘটতে যাওয়ার ঘটনা আমি আমার চোখ দিয়ে দেখছি। সেক্ষেত্রে আমার কোন আত্মীয়ের মৃত্যু হতে চলেছে।
আর দ্বিতীয়টি ইন-ডাইরেক্ট রিমোর্ট ভিউয়িং। মানে ভবিষ্যতের কোন ঘটতে যাওয়া ঘটনা আমি অন্য কারোর চোখে দেখেছি। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে কেউ বা কারা, যারা আমার অনাত্মীয় মরতে চলেছে।
এখানে নিমতলা প্রাসঙ্গিক নয় কারন আমি রাস্তা থেকে দেখছি। প্রাসঙ্গিক হতে হলে আমি ঐ স্থানের ভেতরে থাকতাম। তাহলে এটা অন্য কোন শ্মশান এমনকি কবরখানাও হতে পারে।
এটা বোঝা যাচ্ছে যে বা যারা মরতে চলেছে তারা আমার নিকটবর্তী কোন স্থানের বাসিন্দা। কারন নিমতলা একটি সমান্তরাল এলাকা। আর সে বা তারা হিন্দু ধর্মের মানুষ। প্রথাগত ভাবে শ্মশানে সাধারণত সমান্তরাল এলাকার বাসিন্দারা যায়।
কিন্তু আগেই বলেছি যে স্থান প্রাসঙ্গিক নয়। অর্থাৎ যে কোন শ্মশান বা ক্রিমেটরিয়াম হতে পারে।
এখন আমার শত্রু সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমি বারং বার হুঁশিয়ারি দেই, যে আমার সাথে যুদ্ধ নয়। কিন্তু কেউ আমার ক্ষমতা তথা ঈশ্বরত্বকে মান্যতা দেয় না। বদলে আমাকে খুন করতে তৎপর হয়।
আর এজন্যই কালী যুদ্ধং দেহিঃ। আমার কথা কখনো মিথ্যা হয়নি। কিন্তু কেউ আমাকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। আর তাই কালীর ত্রিশূল নিম্ন মুখী।
দুই দিন আগে পোস্ট অফিস গিয়েছিলাম সেখানে অমিতাভ ব্যানার্জি বলে এক দুষ্কৃতীর লোক আমার পিছনে হাইপোডারমিক সিরিঞ্জ দিয়ে ফুটিয়ে দিল।
এদের পিছনে ঐ রাজেশ কুমার আর প্রদীপ কুমার লুহারিওয়ালা বলে দুটি দুষ্কৃতী রয়েছে। এরা বিভিন্ন ভাবে আমাকে খুন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমার নিকট জনেরাও একেবারেই ধোয়া তুলসী পাতা নয়।
এই মারোয়াড়ীরা বেশ উৎপাত চালাচ্ছে। ওরা টাকা দিয়ে পুলিশ লেলিয়ে দিয়েছে। উদ্দেশ্য বাড়ি দখল। লক্ষ করে দেখেছি বাড়ি থেকে বের হলেই অপেক্ষারত পুলিশ বাইক বাহিনীকে ফোন করে ডাকা হচ্ছে। ফালতু কেস দিয়ে ফাঁসানোর মতলব।
আমি একজন সাধক, কোন কিছুতেই ভয় পাইনা। ভয় হবে আমার শত্রুদের কারন তারাই তো যাবে শ্মশানে। সেটাই দেখতে পেয়েছি। ঈশ্বরের আদালতে মানুষ, পুলিশের আলাদা বিচার হয় না। যে করবে আমার সাথে শত্রুতা সপরিবারে তাদের খাবে কালী।
এনিয়ে কয়েক হাজার বার অমিতাভ ব্যানার্জির লোকজন আমার শরীরে সিরীঞ্জ করে বিষ, ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস আর কতো কিছু ঢাললো। কিন্তু ফল সেই শূন্য। আমার মৃত্যু নেই। আমার মৃত্যু হতে পারে না। কারন আমি মৃত্যুঞ্জয়ী, চিরঞ্জীবী মহাকাল পরমেশ্বর। বিষের প্রভাবে আমার মানব শরীর হয়তো শীর্নকায় হয়েছে কিন্তু মৃত্যু অসম্ভব।
যে লোক গুলো আমার সাথে শত্রুতা করতে নেমেছে তাদের ও তাদের পরিবারের লোকগুলোকে খাবে কালী। হয়তো এজন্যই শ্মশানের দৃশ্য দেখলাম। আর কালী আমার কাছে এর অঙ্গীকার করেছে।
আমি আমার ব্লগে মানুষকে সচেতন করি। যাতে তারা বিনা কারণে আমার সাথে শত্রুতায় না নামে। কারন আমি জানি যে আমার শত্রুদের অলৌকিক ভাবে অসময়ে বা অকালে মৃত্যু হয়।
ফলে যারা শত্রু মনোভাব নিয়ে আমাকে উৎপাত করতে ব্যস্ত তারা মনোভাব বদলান আর আমার কাছে ক্ষমা চান। সাথে ক্ষতিপূরণ প্রদান করুন নয়তো কালী তাকে বা তাদের ছাড়বে না এটা বলাই বাহুল্য।
আর যারা শত্রু তাদের জন্য আমি বলেছি তারা যেন তাদের অন্তিম কাল আগে থেকে দেখতে পায়। দেখতে পাক না পাক যা ভবিতব্য তা হবেই। কারোর কিছু করার নেই।
এরকম আরও ব্লগ পড়তে, আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো করুন।
Discover more from Adhyatmik
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
