
ক্যান্সার একটি মারন রোগ, যার ঔষধ এখনো মানুষের অধরা।
ভারতের আধ্যাত্মিক যে সমস্ত মনিষীদের কথা জানা যায়। তাদের মধ্যে অনেকেই বলেছিলেন যে ধ্যানের দ্বারা ক্যান্সার সারানো যায়।
এমনকি কেউ কেউ নিজ উদ্যোগে ক্যান্সার সারানোর চেষ্টাও করেছেন। কিন্তু মানুষ তখন তাদেরকে পাগল বলে প্রতিপন্ন করেছে।
যেমন অনেকেই আগে আধ্যাত্মিকতা কে পাগল বলে বুঝতেন। কিন্তু পাশ্চাত্যে আধ্যাত্মিকতার প্রসার বৃদ্ধি পাওয়ার পর অনেকেই এখন নিজেদেরকে আধ্যাত্মিক বা স্পিরিচুয়াল বলেন।
ঠিক তেমনি ধ্যানে বিভিন্ন রোগ মুক্তি ঘটে। এ তথ্য যেমন পাশ্চাত্যে অনেকেই বিশ্বাস করেন। তেমনি ভারতে এই সত্য অনেকই মানেন না বা মানতে চান না। পাশ্চাত্যের মানুষ বিশ্বাস করেই ক্ষান্ত হন নাই। বরং তারা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বের করতে উদ্যোগী হয়েছেন।
কানাডার ক্যান্সার জার্নালে এরকম একটি পরীক্ষার কথা ছাপা হয়েছিল। একটি ল্যাব বেশ কিছু স্তন ক্যান্সার রোগীর উপর একটি পরীক্ষা চালিয়েছিল।
তারা স্তন ক্যান্সার রোগীদের দুই ভাগে ভাগ করেন। এবং তাদের এক ভাগকে তিনমাস ধরে ধ্যান করানো হয়। আর অন্যদেরকে ধ্যান করানো হয়নি। তিন মাস পর সকলের রক্ত পরীক্ষা করে একটি অদ্ভুত সত্য সামনে আসে।

টেলোমেরে হলো ক্রোমোজোমের শেষে রক্ষাকারী প্রোটিন টুপি। কোষের বয়স নির্ধারণ বা কত দ্রুত কোষের বয়স বৃদ্ধি পাবে তা নির্ধারন করতে এর ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ক্যান্সার রোগের উপর এই টেলোমরের প্রভাব নিয়ে আগেও পরীক্ষা হয়েছে।
দেখা যায় ধ্যানকারী ক্যান্সার রোগীদের টেলোমরের দৈর্ঘ্য অপরিবর্তিত রয়েছে। অন্যদিকে যারা ধ্যান করেন নাই তাদের টেলোমরের আকারে ছোট হয়ে গেছে।
এর আগে জানা গিয়েছে যে কম দৈর্ঘ্যর টেলোমরের গুলি বিভিন্ন রকমের রোগ যার মধ্যে কোষের বার্ধক্য জনিত সমস্যা ও স্তন ক্যান্সারের জন্য দায়ী। আর দীর্ঘাকার টেলোমরের স্তন ক্যান্সার থেকে মুক্তি ঘটায়।
এরকম আরও ব্লগ পড়তে, আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো করুন।
যদিও এটা সম্পূর্ণ গবেষণা নয় তবুও ক্যান্সার নিরাময়ে এটা একটি নতুন দিগন্ত রচনা করেছে। কিন্তু কেন এবং কিভাবে এই টেলোমরের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করছে এ নিয়ে আরও গবেষনা চলছে। এবং ধ্যান কিভাবে তার উপর প্রভাব বিস্তার করেছে সে তথ্য এখনো সামনে আসেনি।
তবুও এটা বলাই যায় যে ধ্যান করলে ট্রেস থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যা ক্যান্সার নিরাময়ে অনুঘটক হতে পারে। ধ্যান শিখুন আর শিখে ধ্যান করুন।
প্রবন্ধটি ভালো লাগলে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন আর আমাদের ব্লগটি অনুসরণ করুন।
Discover more from Adhyatmik
Subscribe to get the latest posts sent to your email.

