
তিব্বতি বজ্রযানের বিভিন্ন দেবতার মধ্যে অন্যতম হলো দেবতা মহামায়া। ইনি বুদ্ধ অক্ষ্যভ্যের একটি রুপ। দেবতা হেবজ্র যখন তার শক্তি, বুদ্ধ ডাকিনীকে আলিঙ্গনরত অবস্থায় থাকেন তখন তাকে বলে মহামায়া।
এর সাধন পদ্ধতি রচনা করেছিলেন চুরাশি মহাসিদ্ধের অন্যতম মহাসিদ্ধের কুক্কুরিপাদ।
মহামায়া অন্তর থেকে একজন দেবী কিন্তু সাধনায় উনি পুরুষ হেরুকের রুপ ধারন করেন।
দেবতা মহামায়ার সাধনার জন্য মহামায়া তন্ত্রের উদ্ভব হয়। এর বীজ মন্ত্র হল “ওম আহ হ্রীঁ হাম ওম আহ অম হাম”। দেবতা মহামায়ার সাধনায় সাধকের বিভিন্ন ডাকিনী ও যোগিনী শক্তি লাভ হয়।
মহামায়া দেবতা ও দেবী রুপে অবতীর্ণ হওয়ার কারণ অবশ্যই সাধকের সাধনার সুবিধার জন্য। দশম শতকে এভাবে অনেক গুলো নতুন তন্ত্রের সৃষ্টি করা হয়েছিল।
ভালো লাগলে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন আর আমাদের ব্লগটি অনুসরণ করে ঈশ্বরের রহস্য জানুন।
এরকম আরও ব্লগ পড়তে, আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো করুন।
Discover more from Adhyatmik
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
