যন্ত্র ও সাধনা

জ্যামিতিক আকারের বড় শক্তি। আমরা শরীরকে সচল রাখতে খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করি। আবার যন্ত্রকে সচল রাখতে প্রয়োজন পড়ে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানির।

কিন্তু কি উপায়ে আমাদের এই পৃথিবী মহাকাশে নিজে ঘুরছে? এবং এই ঘুরতে ঘুরতে সূর্যের চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে? পৃথিবীর এই জ্বালানি আসছে কোথা থেকে? এর উৎসই বা কি?

এর উৎস হলো জ্যামিতিক অবস্থান। যন্ত্র কিন্তু এই জ্যামিতিক সূত্রে অঙ্কিত একটি মাধ্যম বা রেখা চিত্র। সনাতন ধর্মে যন্ত্রের ব্যবহার অতি প্রাচীন।



একটি কলমের আঁচর কতো শক্তিশালী? যে তার দ্বারা অঙ্কিত জ্যামিতিক রেখা চিত্র দিয়ে বিভিন্ন দেব দেবীকেও বোঝানো হয়। তাদের শক্তি নিহীত রয়েছে নির্দিষ্ট বিন্দু, সরল রেখা, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ এবং বৃত্তে।

কালীর মূর্তিতে আগমনের আগে যন্ত্রে পুজো হতো। সেই ভাবে বিভিন্ন দেব দেবীর জন্য বিভিন্ন যন্ত্র রয়েছে বা তৈরী হয়েছে। এবং এখন সেগুলো তাদের জন্য নির্দিষ্ট পূজোতে ব্যবহৃত হয়।

সাধনাতেও এই জ্যামিতিক রেখা চিত্র বা যন্ত্রের ব্যবহার অতি প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। ঠিক কবে থেকে এর ব্যবহার শুরু হয়েছে কেউ জানে না।

তবে এখনকার মানুষেরা এর ব্যবহার ঠিক মতন জানে না বা বুঝতে পারে না। স্থূলাকারে এই যন্ত্রের ব্যবহার ঠিক মতো বোঝা না গেলেও সূক্ষ্মাকারে এর ব্যবহার সুদূরপ্রসারি।

যন্ত্র সাধনার ব্যবহার হয় ধ্যানে। এক জন যোগী তার অবচেতন চেতনায় এই জ্যামিতিক চিত্র অঙ্কিত করে। এবং এর থেকে শক্তি আরোহণ করে। ইনার রিপ্রোগ্রামিং ধ্যান হলো এমন একটি ধ্যান যেখানে অবচেতন মনকে নিয়ন্ত্রণে আনতে যন্ত্রের ব্যবহার করা হয়।

ফলে ধ্যান সাধক মন নিয়ন্ত্রক অনুঘটক ব্যবহার করে অবচেতন মনের উপর নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হন। ফল স্বরূপ সূক্ষ্ম ব্রহ্মান্ড থেকে বিভিন্ন অলৌকিক শক্তি প্রাপ্তি ঘটে।

এই প্রবন্ধটি ভালো লাগলে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন আর আমাদের ব্লগটি অনুসরণ করুন।


এরকম আরও ব্লগ পড়তে, আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো করুন।



Discover more from Adhyatmik

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply